২৮ জানুয়ারি ২০২১

ইসলামে নারী শিক্ষা ও কিছু মহীয়সী নারীর নাম

 ইসলামে নারী শিক্ষা কিছু মহীয়সী নারীর নাম

মহান আল্লাহ তাআলা নারী পুরুষ আলাদা আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দুনিয়াতে পাঠায় নিআল্লাহ কেরআনে বলেছেন,”নিশ্চয় যারা জানে আর যারা জানে না তারা সমান নয়অর্থাৎ জানতে হবে আর জানতে হলে পড়তে হবে আর পড়তে হলে শিক্ষিত হতে হবেহাদীসে আছে, প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞান অর্জন ফরজ করা হয়েছেতাই আমরা বলতে পারিনা নারীদের জ্ঞান অর্জনের দরকার নাই

অনলাইন থেকে আয় ও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য

 অনলাইন থেকে কি আয় করা যায়?

এক কথায় যদি বলি হ্যাঁ যায়। তবে এতোটা সহজ নয়। অর্থ মামার হাতের মোয়া নয়।এর জন্য অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।পরিশ্রম করতে হয়। ইউটিউব-ফেসবুকে ও অনলাইন পোর্টালে আনলাইনে ইনকাম এর বিষয়ে  হাজরো ভিডিও ও আর্টিকেল পাবেন। কিন্তু সত্য কথা কেউ বলে না। কারণ সত্য বললে তাদের ভিও বাড়বে না। ভিডিও ও লেখার টপিক থাকবেনা । ব্যপারটা হলো স্বার্থ। ইউটিউবার ও ব্লগাররা তাদের ভিও বাড়াতে আকর্ষণীয়  পোষ্টার ও মুখরোচক ফালতু লেখা বা ভিডিও তৈরি করে থাকে। দিনে ৫০০ ডলার মাসে  এত ডলার ইত্যাদি।আপনি তাদেরকে প্রশ্ন করেন কত লাখ টাকা অনলাইন থেকে তারা আয় করে থাকে।  উত্তর দিতে পারবে না।হ্যাঁ তারা আয় করে তবে আপনার থেকে।আপনি তাদের ভিডিও দেখছেন আর্টিকেল পড়ছেন ফলে গুগল এডসেন্স থেকে তারা ইনকাম করছে।তারা আপনাকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখাচ্ছে আর আপনি একের পর এক একাউন্ট খুলে ঠকছেন।  এবং আপনি শুধু  শুধু  আপনার মূল্যবান সময় ও টাকায় কেনা এমবি নষ্ট করছেন। ভিনদেশী যে সাইটগুলো আছে তারা খুব কমই পেমেন্ট করে থাকে। ভুলেও কোন সাইটে টাকা ইনভেস্ট করবেন না। কিছু পেমেন্ট তারা দিলেও পরে তাদেরকে আর খুঁজে পাবেন না।তাহলে অনলাইন থেকে কি আয় করা যায় না? উত্তর হচ্ছে যায় তবে আপনাকে কাজ জানতে হবে। শুধু ক্লিক করা, ভিডিও দেখা আর রেফার এর চক্ররে পড়েছেন তো ঠকেছেন।



কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করবেন? 

অনলাইন থেকে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই যেকোন বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে। ভুয়া আর লোক ঠকানো সাইটে  টাকা ইনভেস্ট করেছেন তো ঠকেছেন। মনে রাখতে হবে বিনা পরিশ্রম ও কোন বিষয়ে অভিজ্ঞতা ছাড়াই হাজার  হাজার টাকা আয় করা গেলে দেশে এত বেকার থাকতো না।তাই সময় আর অর্থের অপচয়  না করে প্রশিক্ষণ নিন। অনুবাদ,আর্টিকেল রাইটিং,  ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স, এসইও,কন্টেন্ট রাইটিং, রিভিও রাইটিং, আর্টস আ্যান্ড ডিজাইন, ফটো এডিটিং, কোড এবং প্রোগ্রামে ডেভেলপমার হিসাবে, ভিডিং এডিটিং ও ডাটা এন্ট্রি সহ এমন আরো অনেক বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।পারদর্শীতা অভিজ্ঞতা  ছাড়া অনলাইনে ইনকাম করা সহজ নয়। কেউ যদি বলে কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া হাজার হাজার ডলার আয় সম্ভব তাহলে ভাববেন আপনি তার থেকে ঠকবেন। শুধু শুধু ইউটিউবের অবাস্তব ভিডিও দেখে সময় নষ্ট না করে যে কোন এক বা একাধিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।


অনলাইন থেকে আয় করার নির্ভরযোগ্য সাইট

পূর্বেই বলেছি কাজ না জানলে ও অভিজ্ঞতা না থাকলে অনলাইন থেকে আয় সম্ভব নয়। ফ্রীল্যান্সিং ডট কম ও আপওয়ার্ক ডটকম নামে দুটি আলাদা ওয়েবসাইট বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়।এই ওয়েবসাইট গুলোতে আপনার পছন্দের কাজ খুঁজে বের করে এপ্লাই করতে হবে।যদি বায়ার আপনাকে পছন্দ করে তবে আপনি কাজ পেতে পারেন। আপনার কাজের বিষয় ও অভিজ্ঞতা  দিয়ে সুন্দর ও নির্ভুল এবং আকর্ষণীয় সিভি তৈরি করে একাউন্ট খুলতে হবে  ।যাতে বায়াররা আপনকে বিশস্ত বলে মনে করে।মনে রাখবেন লোক ঠকিয়ে আয় করা যায় তবে সেটা বেশি দিন স্থায়ী হয় না।বেশিরভাগ ওয়েবসাইট আপনাকে ঠকাবে তাই ইউটিউবারদের গাল গল্প বিশ্বাস না করে নিজে কোন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। ইনকাম হতে কিছুদিন দেরি হলেও স্বপ্ন বাস্তবে রুপ পাবে।


অনলাইন  থেকে যে উপায়ে আপনি আয় করতে পারেন

ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব চ্যানেল খুলে, আপওয়ার্ক ও ফ্রীল্যান্সিং সাইটে কাজ খুঁজে।আর এমন সব ওয়েবসাইট  যেখানে রেফার করতে হয় না এবং কোন টাকা ইনভেস্ট করতে হয় হয় না। ইনভেস্ট যদি করতে হয় তবে কাজ শেখার জন্য করুন। 

২৭ জানুয়ারি ২০২১

বেকারত্ব দূরীকরণে লাভজনক চাষাবাদ

 বেকারত্ব দূরীকরণে লাভজনক চাষাবাদ  

আমরা জানি দেশে ৭৫ শতাংশ লোক গ্রামে বসবাস করে। যাদের বেশিরভাগ কৃষক শ্রেণির। তাই আমরা বলতে পারি এদেশে বেশিরভাগ মানুষের আয়ের উৎস কৃষিকে কেন্দ্র করে।বর্তমানে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে।সঠিক সংখ্যাটা জানা না থাকলেও তা আনুমানিক ৩০ লক্ষ হবে।আরা যারা বেসরকারি চাকরি করছে তাদের কি শোচনীয় অবস্থা তা তারা ছাড়া আর কারর জানার কথা না।আমরা কিছু লাভজনক ফসল ও চাষাবাদ সম্পর্কে জানব।







লাভজনক ও নিশ্চিন্ত চাষাবাদ 

আমাদেরকে এমন একটি চাষ খুঁজে বের করতে যেখানে লাভ বেশি রিস্ক কম।ধরুন ফুল কপি, বা আলু কিংবা ধান এই ফসলগুলোর দাম উঠা-নামা করে।কোন কোন বছর লাভ হয় আবার কোন কোন বছর লস হয়। তাহলে এধরনের ফসল লাভজনক বটে তবে নিশ্চিন্ত চাষাবাদ নয়।তাহলে নিশ্চিন্ত চাষাবাদ কোনগুলো নিম্নে তা বর্ণনা করা হলো।


লেবু জাতীয় ফল চাষ

 কমলা লেবু, বাদামী লেবু,  ও পাতি লেবু।এই লেবু জাতীয় ফলগুলোর আবার বিভিন্ন জাত রয়েছে।কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় নতুন নতুন জাতের উদ্ভব সম্ভব হয়েছে। আমাদের বর্তমানে আমাদের দেশে  কমলা লেবুৃ চাষ হচ্ছে। এবং প্রচুর পরিমানে বারোমাসি সিডলেস ও এলাচি লেবু উৎপাদন হচ্ছে ।

উন্নত জাতের লেবু

বারি-১ ( এলাচী), বারি-২, বারি-৩ তবে আমাদের দেশে এলাচী, কাগজী ও মুসম্বি জাতের বারো মাসি সিডলেস লেবু ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে। 

কেন লেবু চাষ করবেন?

১.খুব দ্রত ফল পাওয়া যায় 

২. খরচ কম 

৩. সারা বছর গাছে ফল আসে তাই অসময়ে ভাল দাম পাওয়া যায়

৪. তেমন পরিশ্রম নেই

৫. সার ও পানি কম লাগে।

৬. এক বিঘা (৩৩ শতাংশ)  জমিতে বছরে কম করে হলেও আড়াই লক্ষ টাকা লাভ করা সম্ভব। 

৭. সমন্বিত চাষ হিসাবে শাক-সবজি, মসলা জাতীয় ফসল চাষ করা যায়।


পেপে চাষ কেন করবেন? 

পেপে খুবই পুষ্টিকর ও লাভজনক ফসল।কম সময়ে নাম মাত্র খরচে পেপে চাষ করা যায়। বিঘা প্রতি (৩৩ শতাংশ)  দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা লাভ করা সম্ভব। সাথী ফসল হিসাবে অন্যান্য ফসল চাষ করে বাড়তি আয় করা সম্ভব। 


উন্নমানের পেঁপের জাত

শাহী পেঁপে, গ্রীণ লেডি, রেড লেডি, সিনতা ইত্যাদি পেঁপের উন্নত জাতের নাম।


পেয়ারা চাষ

বর্তমানে পেয়ারার বাজামূল্য ভালো।তবে অবশ্যই উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করতে হবে।তাহলে ভালো লাভ করা যাবে।উন্নত মানের প্রতি পিচ পেয়ারার মূল্য প্রায় ৩০-৫০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উন্নত জাতের পেয়ারার নাম

কাজী পেয়ারা, বারি পেয়ারা-২, বারি পেয়ারা-৩, ঝাউ পেয়ারা-১ থেকে ৯, এছাড়া স্থানীয় জনপ্রিয় জাত যেমন স্বরুপ কাঠি, কাঞ্চনণগর, মুকুন্দপুরী, থাই জাতীয় কিছু পেয়ারও বেশ জনপ্রিয়। 


লিচুর উন্নত জাতের নাম

মাদ্রাজি, বোম্বাই, চায়না-৩ বেশ উন্নত মানের জাত। দিনাজপুরে এজাতের লিচু প্রচুর পরিমানে দেখা মেলে।


আমের উন্নত জাত

বারি আম-১ (মহানন্দা), বারি আম-২,  বারি আম -৩ ( আম্রপালি) , বারি আম-৪ (হাইব্রিড ) , বারি- ৫  থেকে ৮, বারি আম- ৯ ( কাঁচা মিঠা), এছাড়া, বারো মাসি কাটিমন আম বেশ জনপ্রিয়। 


একটু শ্রম, সময় ও যত্ন নিলে কৃষি থেকে প্রচুর আয় সম্ভব। তবে অবশ্যই ধৈর্য ও বুদ্ধি খাটাতে হবে। 







বাংলার দুটি দুর্ভিক্ষ ও প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে

ছিয়াত্তরের মনন্তর

১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলায় ১১৭৬ বঙ্গাব্দে)  যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তা বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল১১৭৬ বঙ্গাব্দে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল বলে এর নামছিয়াত্তরের মনন্তর বলা হয়

এক কথায় দুর্ভিক্ষের কারণ ছিল ,ইংরেজদের দ্বৈত শাষন নীতিঅর্থাৎ বাংলার নবাবের হাতে ছিল প্রশাসনিক ক্ষমতা আর ইংরেজদের হাতে ছিল  রাজস্ব নির্ধারণ আাদয়ের ক্ষমতাবাংলার সর্বশেষ  নবাব সিরাজ উদ্দোলাকে (জন্ম-১৭৩৩-মৃত্যু-১৭৫৭) পলাশির যুদ্ধে পরাজিত পরবর্তীতে হত্যার পর মীর জাফরকে বাংলার নবাব বানানো হয়মীর জাফর ইংরেজদের পুতুল হিসাবে দায়িত্বে ছিল কার্যত মীর জাফরের (জন্ম-১৬৯১-মৃত্যু-১৭৬৫) কোন ক্ষমতা ছিল না১৭৬০ সালে লর্ড ক্লাইভ (জন্ম-১৭২৫-মৃত্যুঃ১৭৭৪) দেশে ফিরে যানইংরেজরা আবার তাকে ফিরিয়ে আনেক্লাইভ ফিরে এসে দিল্লির বাদশাহ শাহ আলমের(জন্মঃ১৭২৮-মৃত্যুঃ১৮০৬) থেকে ২৬ লক্ষ সিক্কার বিনিময়ে বাংলা, বিহার, ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করেইংরেজ সরকার তখন দ্বৈত শাষন নীতি চালু করেফলে রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব পুরোপুরি কোম্পানির হাতে চলে যায়দুর্ভিক্ষের আগের বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বন্যায় ফসলের ক্ষতি হয়কৃষকরা তার কষ্টার্জিত ফসল ঘরে তুলতে পারে নাকিন্তু কোম্পানি তার রাজস্ব আাদায়ে অনড় ছিলপূর্বের বছরে যত রাজস্ব আদায় করেছিল, কোম্পানি দুর্ভিক্ষের বছরে তার চেয়ে ৫২২০০০ টাকা বেশি আদায় করেএক দিকে কৃষক তার ফসল ঘরে তুলতে না পারা অন্যদিকে কোম্পানির রাজস্ব আদায়ের ফলে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়এই মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষে বাংলায় প্রায় কোটি লোক না খেতে মেরে মারা যায়।


 

পঞ্চাশের মনন্তর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে (১৯৩৯-১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ) জাপান বার্মা (বর্তমান মায়ানমার) দখল করে নেয়


তৎকালীন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের পরামর্শে নৌকা, গরুর গাড়ি ধ্বংস করে দেয়া হয়

এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়যাতে জাপানি সৈন্যরা বাংলায় ঢুকতে না পারে